আর্থিক স্বচ্ছলতা অর্জনে ডোমেইন ইনভেস্টমেন্ট

১৪ অধ্যায়ঃ আউটবাউন্ড মার্কেটিং ((বহির্মুখী প্রচারনা)

By অক্টোবর 8, 2019 #!31সোম, 06 জানু. 2020 02:16:49 +0000p4931#31সোম, 06 জানু. 2020 02:16:49 +0000p-2+00:003131+00:00x31 06পূর্বাহ্ন31পূর্বাহ্ন-31সোম, 06 জানু. 2020 02:16:49 +0000p2+00:003131+00:00x312020সোম, 06 জানু. 2020 02:16:49 +0000162161পূর্বাহ্নসোমবার=946#!31সোম, 06 জানু. 2020 02:16:49 +0000p+00:001#জানুয়ারী 6th, 2020#!31সোম, 06 জানু. 2020 02:16:49 +0000p4931#/31সোম, 06 জানু. 2020 02:16:49 +0000p-2+00:003131+00:00x31#!31সোম, 06 জানু. 2020 02:16:49 +0000p+00:001# No Comments

আউটবাউন্ড মার্কেটিং হলো সম্ভাব্য ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করে বিক্রয় বা লিজ এর চেষ্টা করা। এটি বিক্রেতার সাথে ক্রেতার একটি সক্রিয় যোগাযোগ পদ্ধতি। এটা অল্প দিনের মধ্যে বিক্রয়ের জন্য একটা কার্যকরী পদ্ধতি। প্রফেশনালি করতে পারলে আউটবাউন্ড মার্কেটিং বিজনেস ও প্রোডাক্টিভ রিলেশনশীপে সাহায্য করে।

আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর বিভিন্ন উপাদানঃ

  1. Have a convincing email Address (আগ্রহ সৃষ্টিকারী ইমেইল এড্রেস): আউটবাউন্ড সেল এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলির মধ্যে একটি হলো ইমেইল এড্রেস থাকা যা থেকে আপনি আপনার সম্ভাব্য ক্লায়েন্টদের ইমেইল করবেন। অনেক ফ্রী ইমেইল সরবরাহকারী থাকলেও আমি কেবলমাত্র জিমেইলের সুপারিশ করবো কারণ এটি অধিক গ্রহণযোগ্য। অল্প কিছু মাসিক ফি এর মাধ্যমে কোনো পুরনো ডোমেইনের সাথে একটি কাস্টম ডোমেইন নাম নিতে পারেন যা আপনার ইমেইলগুলোকে বৈধতা দেয়ার জন্য একটি ভাল উপায়।
  2. Have an Email Signature (ইমেইলের স্বাক্ষর রাখুন): সম্ভাব্য ক্রেতাদের আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করার জন্য, ইমেইল প্রেরণের সময় ইমেইলের স্বাক্ষর থাকা খুব জরুরি। ইমেইল স্বাক্ষর স্থাপন করার সময়, গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলি হল নাম, টাইটেল, ইমেইল, ফোন নম্বর, ওয়েবসাইট, লিংকডন, ফেসবুক, টুইটার। স্বাক্ষরটি আপনার ইমেইল প্রোভাইডারের মাধ্যমেও তৈরি করা যেতে পারে, বিকল্পভাবে, আপনি তৃতীয় কোনো পক্ষের ইমেইল স্বাক্ষর জেনারেটর যেমন WiseStamp or HubSpot Signature Generator ব্যবহার করতে পারেন।
  3. Email Tracking Software: ইমেল ট্র্যাকিং সফ্টওয়্যার ইমেইল কখন খোলা হয়েছে তা জানতে দেয়। হাবস্পট বা স্ট্রাইকের মতো সার্ভিসগুলো ব্যবহারকারীদের প্রতি মাসে অল্প সংখ্যক ইমেইল খোলার তথ্য দেয়। আপনি এর মাধ্যমে কিছু দরকারী ডেটা পেতে পারেন, যেমনঃ কতগুলি ইমেইল খোলা হয়েছিল, কারা ইমেইল খুলেছে, কতবার তারা ইমেলটি খুলেছে ইত্যাদি। ইমেইল ট্র্যাকিং পুরোপুরি নির্ভরযোগ্য না হলেও এসব তথ্যের সাহায্যে আপনার কোন ইমেলগুলি তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর ছিলো তার ভাল ইঙ্গিত দিতে পারে।
  4. Keep Track of Prospects: অনেকগুলি কাস্টোমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট টুল থাকলেও আমি জোহো এবং হাবস্পট ব্যবহারের পরামর্শ দেব, কখন ইমেইলগুলিতে ফলোআপ করতে হবে তা জানার জন্য এটা জরুরী। সম্ভাব্য ক্রেতার তালিকা পরিচালনার জন্য একটি এক্সেল স্প্রেডশিটও ব্যবহার করা যেতে পারে। যাতে ইমেইল গ্রহীতা এবং তাদের আগ্রহের অবস্থা সম্পর্কে তথ্য থাকবে।

Pre-Outbound

Domain checks: কোনো ডোমেইনের মার্কেটিং করার আগে নিশ্চিত হতে হবে যে তা আপনার পোর্টফোলিওতে রয়েছে।

Landing Page: ল্যান্ডিং পেজ পরীক্ষা করে দেখুন এটি আপনার ক্রেতাকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে কিনা। টাইটেল ট্যাগ, বিবরণ এবং যোগাযোগের তথ্য পরীক্ষা করে দেখুন। দেখতে প্রফেশনাল এমন ল্যান্ডিং পেজ ব্যবহার করা ভাল। এমন কোম্পানি রয়েছে (যেমনঃ Epik.com) যারা বিনা খরচে ভালো মানের এবং আকর্ষণীয় ল্যান্ডিং পেজ সরবরাহ করে।

Marketplace: আপনার ডোমেইন গুলি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে তালিকাভুক্ত থাকা উচিত। মার্কেটপ্লেসে "Buy Now" দামের পরিবর্তে "Make Offer" অগ্রাধিকারযোগ্য কারণ আপনার আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর ফলে আসা ইনবাউন্ড ইনকোয়ারির সময় আলোচনা করার জন্য তা আপনাকে শক্ত অবস্থান দেবে।

Finding Potential Buyers: একটি ডোমেইন নামের সম্ভাব্য ক্রেতাদের খুজতে সাহায্য করার জন্য অনলাইনে বিভিন্ন সরঞ্জাম আছে।

  1. Search Engine Tool: Iসার্চ ইঞ্জিনে ডোমেইন নামটি সার্চ করুন। আপনি এজন্য Google, Bing, DuckDuckGo ব্যবহার করতে পারেন।
  2. Email Finder Tool: এই টুলটি আপনাকে কোনো কোম্পানির ডোমেইন নামের মাধ্যমে কোম্পানিটির ইমেইল খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। যেমনঃ Hunter Email Finder, Snov Email Finder।

Who to Contact (কার সাথে যোগাযোগ করবেন): আউটবাউন্ড কৌশল এর মধ্যে সেরা হলো কোনো সংস্থার সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীকে ইমেইল করা। যদি তিন বা ততোধিক ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করতে চান, তখন আপনি পরিচালকের ইমেইল এবং সংস্থাটির প্রধান ৩ জন কর্মকর্তার ((Marketing Director, Head of Communications, and the Company Manager) ইমেইলের জন্য ইমেইল ফাইন্ডার ব্যবহার করবেন।

Outbound

ইমেইল প্রেরন

ইমেইল প্রেরণের সময় ইমেইলটি সংক্ষিপ্ত, সহজ এবং নির্ভুল হওয়া উচিত। প্রথম ইমেইলটিতে দুই/তিনটি বাক্য বা দুটি ছোট প্যারা থাকবে, যা সম্ভাব্য ক্রেতাকে আগ্রহী করতে প্রয়োজনীয় তথ্য হাইলাইট করে। শেষ ইমেইলটি এমন হবে যাতে সম্ভাব্য ক্রেতা কোনো প্রতিক্রিয়া দেন।

উদাহরণস্বরূপ, নীচে একটি সেলস লেটারের টেমপ্লেট রয়েছে

Hello (Name)

I own the www.xxxxxx.com domain name and I am reaching out to a few companies in the xxxxxx industry, to explore a possible sale of the domain name. Would you be interested in owning this domain name for to improve your brand and search engine visibility?

Regards,

Maxwell

Account Manager, Domain Brands

+12323738293

আপনার সেলস লেটারের ধরণ সম্ভাব্য ক্রেতাকে আপনার তথ্যে আগ্রহী করে তোলে। আপনি যদি ডোমেইন নামটি উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করতে চান তাহলে কোন কোম্পানিতে যোগাযোগ করছেন সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

ইমেইল প্রেরণ করার সময় শেষে একটি প্রশ্ন জুড়ে দেবেন যা কথোপকথনকে উত্সাহিত করতে পারে, যাতে শেষ পর্যন্ত অফার থেকে বিক্রয়ও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি আপনার সেলস লেটারে এটা যোগ করে দিতে পারেন, “can we schedule a time to discuss further? (আমরা কি আরও আলোচনা করার জন্য একটি সময় নির্ধারণ করতে পারি?)

Post Outbound

Doing Follow-Ups
আপনার প্রথম ইমেইল প্রেরণের পরে, আপনি সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছ থেকে কিছু প্রতিক্রিয়া পেতে পারেন, সম্ভবত তারা ডোমেইনের দাম জিজ্ঞেস করতে পারে। তবে শুরুতে আপনি কোন প্রতি-উত্তর নাও পেতে পারেন। যারা প্রতিউত্তর দেননি তাদেরকে একটি ছোট ফলো-আপ ইমেইল প্রেরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়, সাধারণত প্রথম ইমেইল প্রেরণের ৫ দিন পরে। আপনি যদি ডোমেইনটি নিয়ে খুব আশাবাদি হন তাহলে সঠিক ক্রেতার সন্ধান করতে ডোমেইনটি তাদের লিংকডইন, টুইটার বা ফেসবুকের পোস্টে যুক্ত করে দিতে পারেন।

Negotiating Model

আলোচনার সময়, ক্রেতাকে প্রথমে অফার করতে দেওয়া ভাল। ডোমেইনটি বিক্রি করতে মরিয়া হয়ে উঠবেন না কারণ এতে ডোমেইনের মূল্য কমে যেতে পারে। যদি প্রয়োজন হয় তবে আপনি আলোচনার ক্ষেত্রে নমনীয়তার জন্য একটি নির্ধারিত দাম না চেয়ে দামের সীমা বলে দিতে পারেন। আপনার ডোমেইন নামে যখন অফার আসে তখন প্রথম অফারটি গ্রহণ না করাই ভাল।

আলোচনার সময়, কয়েকটি বিষয় ডোমেইনারদের জানা দরকার

  1. সাম্প্রতিক সংবাদ এবং কোম্পানির উন্নয়নের উপর ভিত্তি করে আপনার সম্ভাব্য ক্রেতার আর্থিক সক্ষমতা জেনে নিন।
  2. কর্পোরেট ইন্ড-ইউজারের কাছে যাওয়ার সবচেয়ে ভাল সময় হলো বছরের প্রথম প্রান্তিক এবং বছরের শেষ প্রান্তিকে, যখন তহবিল সর্বাধিক থাকে;
  3. যখন আপনার সম্ভাব্য ক্রেতা আপনার প্রত্যাশিত দামের চেয়ে কম প্রস্তাব দেয় তবে তাকে আবারো অফার দেওয়ানোর চেষ্টা করুন।
  4. আপনি যদি কোনো দামের সাথে একমত না হন তবে অন্যভাবে চেষ্টা করুন, আপনি লিজ বা ফাইন্যান্সিং অফার করতে পারেন বা তাদের কোন পণ্য বা পরিষেবা চাইতে পারেন। স্টার্টআপ হলে আপনি তাদের কোম্পানির শেয়ার নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।
  5. আলোচনার সময় আবেগী না হয়ে পেশাদার এবং শ্রদ্ধাশীল হন।
  6. চুক্তিটি না আগালে সরে যেতে প্রস্তুত থাকুন।
  7. আলোচনার সময় আক্রমণাত্মক হবেন না।

চুক্তি সম্পন্ন করা

আপনারা এমন দামে পৌঁছে গেলে যা উভয় পক্ষের জন্যই লোভনীয় অবস্থা, এসক্রো এজেন্ট বা ডোমেইন মার্কেটপ্লেসের সাহায্যে চুক্তিটি সম্পন্ন করা ভাল। আপনি যদি নিজেই তা করতে চান তবে ডোমেইন বিক্রয়ের স্ট্যান্ডার্ড এগ্রিমেন্ট চুক্তিটি ব্যবহার করবেন।

চুক্তি সম্পন্ন হলে ক্রেতাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটা মেইল করতে পারেন। এতে করে তার সাথে আপনার একটা ভালো সম্পর্ক তৈরি হল যা ভবিষ্যতে আরও সুযোগ নিয়ে আসবে তার কাছে ডোমেইন বিক্রি করার।

সবশেষে, আপনার যদি কোনো ওয়েবসাইট থাকে তবে আপনি ফিডব্যাক রিভিউ এর জন্য অনুরোধ করতে পারেন, উদাঃ TrustPilot.com বা এপিক এর TrustRatings.com ফ্রী সার্ভিস এর মাধ্যমে আপনি গ্রাহক রেটিং সংগ্রহ করতে এবং সেগুলি আপনার সাইটে পোস্ট করতে পারেন।

bn_BDবাংলা
Share This

Share This

Share this post with your friends!